Gurupurnima, 2022

শ্রীশ্রীগুরুপূর্ণিমা মহোৎসব ২০২২, শ্রীশ্রীগুরুদেবের প্রবচন, “মঙ্গলাচরণ”

বর্হাপীড়ং নটবরবপুঃ কর্ণয়োঃ কর্ণিকারং,
বিভ্রদ্ বাসঃ কনককপিশং বৈজয়ন্তীং চ মালাম্।
রন্ধ্রান্ বেণোরধরসুধয়াপূরয়ন্ গোপবৃন্দৈর্-
বৃন্দারণ্যং স্বপদরমণং প্রাবিশদ্ গীতকীর্তিঃ॥”
            —– শ্রীমদ্ভাগবতম্- ১০।২১।৫ |

“শান্তাকারং ভূজগশয়নং পদ্মনাভ সুরেশং
বিশ্বাধারং গগন সদৃশং মেঘবর্ণং সুভাগম্
লক্ষ্মীকান্তং কমলনয়নং যোগীভিৰ্ধ্যানগম্যং
বন্দে বিষ্ণুং ভবভয়হরণং সর্ব-লোকৈক নাথম্ ॥”

“বংশী বিভূষিত করান্নবনীরদাভাৎ,
পীতাম্বরাদরুণাবিম্বফলাধরৌষ্ঠাৎ |
পূর্ণেন্দুসুন্দরমুখাদরবিন্দনেত্রাৎ,
কৃষ্ণাৎপরং কিমপি তত্ত্বমহং ন জানে ||”

“হার্দধান্ত নিরাশবাসরমণর্বিজ্ঞানবারাং নিধি, ভক্তাভীষ্টসহস্রপূরণবিধৌচৈতন্য চিন্তামণিঃ।
সদ্ ভৃঙ্গেপ্সিত বিষ্ণুভক্তিনলিনীব্যাকোশহেতূদয়,
সোহহস্মাকং কুরুতাং ভবার্ত্তিশমনং নিম্বার্কনামামুনিঃ ||”

“ধ্যেয়ং সদা পরিভবঘ্নমভীষ্টদোহং
তীর্থাস্পদং শিববিরিঞ্চিনুতং শরণ‍্যং।
ভৃত্যার্তিহং প্রণতপাল ভবাব্ধিপোতং
বন্দে মহাপুরুষতে চরণারবিন্দম্।।”

“বাঞ্ছাকল্পতরুভ্যশ্চ কৃপাসিন্ধুভ্য এব চ।
পতিতানাং পাবনেভ্যো বৈষ্ণবেভ্যো নমো নমঃ ।।

“গুরুব্রহ্মা গুরুবিষ্ণুঃ গুরুদেবো মহেশ্বরঃ |
গুরুঃ সাক্ষাৎ পরব্রহ্ম তস্মৈ শ্রীগুরবে নমঃ ||”

ওঁ অখণ্ডমণ্ডলাকারং ব্যাপ্তং যেন চরাচরম্ ।
তৎপদং দর্শিতং যেন তস্মৈ শ্রীগুরবে নমঃ ॥

অজ্ঞানতিমিরান্ধস্য জ্ঞানাঞ্জন শলাকয়া।
চক্ষুরুন্মীলিতং যেন তস্মৈ শ্রীগুরবে নমঃ ॥

গুরুব্রহ্মা গুরুবিষ্ণুঃ গুরুদেবো মহেশ্বরঃ ।
গুরুঃ সাক্ষাৎ পরংব্রহ্ম তস্মৈ শ্রীগুরবে নমঃ ॥

ব্রহ্মানন্দং পরমসুখদং কেবলং জ্ঞানমূৰ্ত্তিং ।
দ্বন্দ্বাতীতং গগনসদৃশং তত্ত্বমস্যাদিলক্ষ্যম্ ॥
এবং নিত্যং বিমলমচলং সৰ্ব্বধীসাক্ষীভূতং ।
ভাবাতীতং ত্রিগুণরহিতং সদগুরুং তং নমামি !

“জ্ঞাপয়েচ্চ পরং তত্ত্বং প্রাপয়েচ্চ পরং পদম্ |
গময়েচ্চ পরং ধাম স গুরুঃ পরমেশ্বরঃ ||”

****

শ্রীশ্রীরাধাপার্থসারথি ভগবানের প্রতিষ্ঠা মহোৎসব, শ্রীশ্রীগুরুপূর্ণিমা মহা মহোৎসব ১৩, জুলাই, ২০২২.

SriNimbark Radha Govinda Mandir, NewYork, USA🇱🇷

Divine Inauguration Festival of New Temple at New York, USA

কথাপ্রসঙ্গে শ্রীসদ্গুরুদেব

শ্রীভগবৎ প্রসাদের অনন্ত মহিমা । শ্রীশ্রীসন্তদাস কাঠিয়া বাবাজী মহারাজ বলতেন – “শ্রীভগবান দৃষ্টি দিয়ে প্রসাদ গ্রহণ করেন ও উৎসবের দিন সকল দেব দেবীরা সেখানে উপস্থিত থেকে প্রসাদের ওপর আশীর্বাদ বর্ষণ করেন। শ্রীভগবৎ নিবেদিত প্রসাদ ত্রিগুণাতীত।
প্রসাদ অমৃত স্বরূপ, এর সাথে কোনো অন্নের তুলনা হয় না। উৎসবের দিন বিশেষ করে প্রসাদ গ্রহণ করা উচিত। ভক্তি সহকারে প্রসাদ গ্রহণে অনেক দুরারোগ্য ব্যাধি, শারীরিক মানসিক ক্লেশ দূর হয়ে যায়। খুব শ্রদ্ধার সহিত গ্রহণ করলে অলৌকিক ফল প্রদান করে, ভক্তি বর্ধিত হয়।

শ্রীশ্রীরাধাষ্টমী

শ্রীশ্রীরাধাষ্টমী মহাভাবরূপিনী কৃষ্ণপ্রিয়া পরাভক্তিপ্রদায়িনী শ্রীমতী রাধারাণীর প্রাকট্য দিবস।

 

শ্রীরাধাষ্টমী গুরুপূজা

শ্রীরাধাষ্টমী দর্শন ও মা গঙ্গা পূজন : শ্রীশ্রীকাঠিয়াবাবা সাধনসেবাশ্রম

শ্রীধাম বৃন্দাবন আশ্রমের সেবাপূজার নির্ঘন্ট-

শ্রীশ্রী ধনঞ্জয় দাস পত্রামৃত

ওঁ হরিঃ
শ্রীবৃন্দাবন
১৬/৪/৪৫
পরমকল্যাণবরেষু–
প্রিয়–
তোমার পত্র পাইয়াছি…. প্রারব্ধে যাহার যাহা আছে, তাহা কেহই খণ্ডন করিতে পারে না। ভগবৎ বিধানের উপর মহাপুরুষগণ হাত দেন না। ভগবানের বিধানের উপর যাহাদের বিশ্বাস না থাকে তাহারাই দৌড়াদৌড়ি করিয়া অধিক অশান্তি ভোগ করে। নিজের অন্তরকে শুদ্ধ করিয়া পবিত্রভাবে ভগবদ্বিধান গ্রহণ করার অভ্যাস না করিলে কখনও শান্তি আসিতে পারে না। নিজেরই কর্ম্মের দোষে দুর্ভোগ ও আর্থিক অভাবজনিত ক্লেশভোগ আসিয়া থাকে, কেহ তাহা দূর করিয়া দিবেন এইরূপ মনে করা ভ্রম। অবশ্য তোমার যদি আশা থাকে ও বিশ্বাস কর তবে তুমি যেরূপ ভাবে দেখিতে ইচ্ছা করিতেছ দেখিতে পার।…. শেষ রাত্রে মুখ হাত ধুইয়া শুদ্ধ বস্ত্র পরিয়া জপ করিতে পার। ইতি–
আশীর্ব্বাদক
শ্রীধনঞ্জয়দাস

অনুলিখন- শ্রী বিশ্বনাথ রায়

श्रीश्री सन्तदास महावाणी

प्रार्थना अत्यन्त उपयोगी है। अत्यन्त भाग्यशाली पुरुषको ही संकट आनेपर तथा अभाव आदि के समयपर यथार्थरुपसे प्रति प्रार्थना करनेकी प्रवृत्ति होती है। भगवानको जो अपना मानते है एवं सोचते है वे सर्वदा साथमें ही है एवं दुःख दूर करनेमें समर्थ है — इस बातको जिन्हों ने भीतरसे धारण कर लिया है वे ही अभावबोध भगवानको ज्ञापन कराते हैं। ज्ञापन कराते समय भगवत् सान्निध्यवोध उनको अवश्य होता है। अतः यह उनके विशेष कल्याण का कारण ही है। उनकी प्रार्थना भगवान तुरन्त ही पुर्ण नहीं करते, यह बात सच है, प्रार्थना स्वयं एवं जगत कल्याणार्थ न होनेपर यह सफलयोग्य नहीं है। परंतु प्रार्थना साथसाथ पुर्ण न होनेपर भी चिंता के द्वारा भी भगवत्संग लाभ किया जाता है। इससे जीवका चित्त शुद्ध होने लगता है एवं यह उनके लिए अत्यन्त कल्याणकारी होता है। जिनका चित्त निर्मल होता है उनके मनमें कोई प्रार्थना उदित होनेसे यह कल्याणात्मक ही होता है, एवं वह तुरंत ही पुर्ण भी होता है, इसमें भगवानका कोई पक्षपातदोष नहीं है,चित्त शुद्धि के ऊपरही यह सामान्यतः निर्भर करता है।

শ্রীধনঞ্জয় দাস পত্রামৃত

ওঁ হরিঃ
শ্রীবৃন্দাবন
১৭/১০/৪০
পরমকল্যাণবরেষু
প্রিয় !
….
উপদেশমত নিয়মানুসারে স্থিরচিত্তে ভজন করিতে থাকিলে ধীরে ধীরে ভক্তি ও বিশ্বাস আসিতে থাকিবে। বহু জন্মের সংস্কারের দ্বারা চিত্ত কলুষিত হইয়া আছে, ভজন করিতে করিতে সেই সংস্কারের ময়লা দূরীভূত হইয়া যে পরিমাণে চিত্ত নির্ম্মল হইতে থাকিবে, সেই পরিমাণে ভক্তি ও বিশ্বাস গাঢ় হইতে থাকিবে। ব্যস্ত হইওনা। স্থিরচিত্তে ভজন করিতে অভ্যাস কর, শ্রীভগবৎকৃপায় কল্যাণ লাভ করিবে। যিনি যত ব্যস্ত হইবেন, তাহার তত বিলম্ব হইয়া যাইবে। সব অবস্থাই ভগবদ্দত্ত-জ্ঞানে গ্রহণ করিয়া, সর্ব্বদা চিত্তকে প্রসন্ন রাখিতে অভ্যাস যিনি করেন এবং গুরূপদিষ্ট মার্গে চলিতে থাকেন, তিনি খুব শীঘ্র শীঘ্র সাধনপথে অগ্রসর হয়েন। “পত্রাবলী” মধ্যে মধ্যে পড়িয়া উপদেশানুসারে চলিতে অভ্যাস করিবে।

মাথা নীচে রাখিয়া এবং পা উপরে তুলিয়া ধ্যান করিলে আধঘণ্টায় সমাধি হয় এইরূপ কেহ বলিয়াছে লিখিয়াছ। এইরূপ সম্ভব হইলে সমাধিসম্পন্ন পুরুষে সংসার ভরিয়া যাইত। তাহা হইলে মুনি ঋষিরা সহস্র সহস্র বৎসর ধরিয়া এত কষ্টের সহিত সাধন করিতে যাইতেন না। এইরূপ কথা শুনিয়া তোমার মত লোকও ভুলিয়া যাও ইহা ভাল নহে। এইরূপ কাহারও কথায় কোন সময় পড়িয়া গেলে অনেক সময় মহা বিপদে পড়িতে হইতে পারে। খুব সাবধানে চলিবে। যাহার তাহার উপদেশ গ্রহণ করিতে যাইও না। তুমি যেরূপ উপদেশ পাইয়াছ‌ এবং পত্রাবলী প্রভৃতিতে যে উপদেশ আছে তৎসমস্ত অবলম্বন করিয়া চলিবে। শ্রীভগবানের উপর নির্ভর করিয়া স্থির-ধীর ভাবে ঋণ পরিশোধের জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করিতে থাক। ভগবদ্দিচ্ছা হইলে তাঁহার কৃপা আসিয়া সাহায্য করিতে পারে। তোমরা কল্যাণ লাভ কর এই ইচ্ছা করি। তোমরা সকলে আমার আশীর্ব্বাদ জানিবে। ইতি-
আশীর্ব্বাদক
শ্রীধনঞ্জয়দাস

অনুলিখন- শ্রী বিশ্বনাথ রায়।

श्रीश्री सन्तदास महावाणी

आश्रित शब्द का अर्थ है,जिन्होने आश्रय ग्रहण किया है। जिस व्यक्ति स्वयं अपना कर्तृत्व त्यागकर, खुदके ऊपर निर्भर न करते हुए गुरुके प्रति सम्पूर्ण निर्भर करते है, जिनको किसी कार्य के प्रति अभिमान नहीं है, आदेशपालन ही जिनका एकमात्र लक्ष्य है, वे तो मुक्त ही हो गए। उनको कर्म की वशमें आकर इसलोकमें आनेकी कोई सम्भावना नहीं है। यमदूतके साथ उनका कोई सम्पर्क होता ही नहीं।

भाषान्तर-श्रीमती शिखा कर

Vani Manjari

We wail and weep so much for our mortal affiliation and belongings, if only we could feel the same intense yearning for Bhagvan Sri Krishna-it would have paved the way to Lord and made our Human birth worthy and complete.
All kind of worldly hankering and longing comes to an end for the individual soul when it meets the Supreme soul. Unprecedented fulfilment, peace and bliss unfolds for the Jeeva with this propitious union with the Divine.

Sadgurudev Swami Rash Behari Das Kathia Baba Maharaj.

শ্রীশ্রীধনঞ্জয় দাস পত্রামৃত

ওঁ হরিঃ
পোঃ ও জিলা খুলনা
৫/২/৪০

পরম কল্যাণীয়াসু–
মাই ! অদ্য তোমার পত্র পাইলাম ।…. তোমার প্রশ্নের উত্তর নিম্নে লিখিতেছি ।
(১) হরি ও হর একই ভগবানের ভিন্ন রূপ, – ইহাই সত্য। বৈষ্ণবের দেবী পূজা দর্শনে বা প্রসাদ গ্রহণে দোষ নাই। তবে মাংসাদি বা তৎসংশ্লিষ্ট প্রসাদ বৈষ্ণব গ্রহণ করিবেন না।
(২) মালা তিলকাদি ধারণের উপদেশ যে গুরু করিয়া থাকেন তাহার বিশেষ ফল আছে; কোনও দীক্ষিত ব্যক্তি যদি গুরুর এই উপদেশ শ্রদ্ধার সহিত গ্রহণ না করেন বা তাহার প্রয়োজনীয়তা বিশ্বাস না করেন, তবে তাহার পক্ষে দীক্ষা না লওয়াই উচিত ছিল। দীক্ষা লওয়ার পর গুরুবাক্যের প্রতি অবহেলা করিয়া তাহা ধারণ না করিলে, অপরাধই হয় এবং সাধনে অগ্রসর হইতে পারে না । ভগবান তাহার প্রতি অপ্রসন্ন হইয়া যান। তুমি এই বিষয় লইয়া বিচার করিতে যাইও না, তুমি যেরূপ উপদেশ পাইয়াছ‌ দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হইয়া তাহা পালন‌ করিতে চেষ্টা করিবে । এই বিষয়ে সাক্ষাৎ আলাপ হইলে ভালরূপে তোমাকে বুঝাইয়া দিতে পারিতাম । পত্রে আর অধিক লেখা যায় না ।….
বাহিরের নিন্দাস্তুতি মান‌ অপমান অগ্রাহ্য করিয়া নিশ্চলভাবে গুরুপদেশানুসারে ভজন করিয়া যাও , কল্যাণ লাভ হইবে।
প্রথমতঃ কিছুদিন দৃঢ়ভাবে নিয়ম নিষ্ঠা পালন করিলে লোকের ভাবের পরিবর্ত্তন হইয়া যায়, যে ব্যক্তি অবজ্ঞার ভাব দেখায়, সেই আবার তাহার‌ প্রতি ভক্তিসম্পন্ন হইয়া যায় ।
….অত্র মঙ্গল । ইতি–
আশীর্ব্বাদক
শ্রীধনঞ্জয়দাস

অনুলিখন- শ্রী বিশ্বনাথ রায়।